ওজন বৃদ্ধির উপায় কি কি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪ ৩২ বার পড়া হয়েছে

ওজন বৃদ্ধির উপায় কি কি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজের শরীরকে ফিট এবং আকর্ষণীয় রাখতে কে না চায়। তাই তাইতো পাতলা লোকেরা ওজন বৃদ্ধির উপায় সম্পর্কে জানতে চান এবং ভারী লোকেরা ওজন কমানোর টিপস সম্পর্কে জানতে চান। ওজন বৃদ্ধি করতে চাইলে শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি সঠিক পন্থায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।

যাদের ওজন কম তারা নিচের ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলো ফলো করে খুব সহজেই ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন।

ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা

আপনি সারা দিনে যে পরিমাণ শক্তি খরচ করছেন খেতে হবে তার চাইতে বেশি পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার। এজন্য নিয়মিত কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, মুরগির মাংস, আলু, কিসমিস ইত্যাদি খাবার খেতে পারেন। এ সকল হাই ক্যালরিযুক্ত খাবার আপনার ওজন দ্রুত বৃদ্ধি করবে। তবে মনে রাখবেন, কোন কিছুই অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। অল্প অল্প করে নিয়মিত খাবেন।

শর্করা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া

অনেকে শর্করা জাতীয় খাবার যেমন ভাত, আলু, আটা ইত্যাদি কম খেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের খাবার ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। তাই দিনে যত খুশি ভাত, আলু কিংবা আটার রুটি খেতে পারেন।

নিয়মিত ব্যায়াম করা

অনেকেই মনে করেন পাতলা শরীর নিয়ে ব্যায়াম করলে ওজন আরো কমে যায়। কিন্তু ধারণাটি সঠিক নয়। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মাংসপেশি গুলো রিলাক্স পায়। ব্যায়ামের পাশাপাশি সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ আপনার ওজনকে বাড়িয়ে দিবে। আবার আজকে একটু ব্যায়াম করে কালকে একদমই করবেন না এরকমটা করা যাবে না। প্রতিদিন রুটিন মেনে ব্যায়াম করতে হবে। ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলোর মধ্যে হয় এটি অন্যতম।

ওজন বৃদ্ধির উপায় কি কি

নিয়মিত খাবার গ্রহণ

আমাদের অনেকের সকাল বেলা না খেয়ে থাকার অভ্যাস আছে। অথবা সকালের খাবার ১২ টায় অথবা দুপুরে। এরকম রুটিনে কখনো ওজন বৃদ্ধি পাবে না। যত সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সম্ভব খাবার খান। সকালবেলা হালকা নাস্তা করার ধারণাটিও ভুল। সকালবেলা যত বেশি খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই ওজন বৃদ্ধির জন্য সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পেট ভরে খাবার খান।

সঠিক সময়ে ঘুমানো

রাত জেগে থাকা ওজন হ্রাসের অন্যতম কারণ। ওজন বৃদ্ধির জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন এবং সকাল সকাল উঠুন। চেষ্টা করুন দিনের বেলাতে না ঘুমানোর জন্য। কারণ দিনের বেলার অনিয়মিত ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব একটা ভালো নয়।

প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে হবে। একদিন রাত ৩ টায় ঘুমাতে গেলেন আরেক দিন রাত ১০ টাঢ ঘুমাতে গেলেন এরকমটা মস্তিষ্কে খারাপ প্রভাব ফেলে।

ওজন বাড়ানোর পূর্বে কিছু সর্তকতা

• অনেক সময় বিভিন্ন শারীরিক রোগের কারণে ওজন কম হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েড। আবার মানসিক চিন্তা কিংবা রোগের কারণে ওজন কমে যেতে পারে। আপনার এ ধরনের কোন সমস্যা থাকলে ওজন বাড়ানোর উপায় অবলম্বন করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

• যদি এরকমটা মনে হয় যে আপনি ইচ্ছা করেও খাবার খেতে পারছেন না। খাবারের প্রচুর পরিমাণে অনীহা রয়েছে এবং শারীরিক দুর্বলতা রয়েছে। তাহলে একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

• ওজন বাড়ানোর জন্য কখনোই ইন্টারনেট থেকে যত তথ্য হারবাল মেডিসিন গ্রহণ করবেন না। এসব গ্রহণ করার ফলে নানা রকম পার্শ্ব প্রক্রিয়া রয়েছে।

• খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনলে গ্যাস এবং এসিডিটি সহ কিছু সমস্যা হতে পারে। তাই হঠাৎ করেই খাবারের রুটিন চেঞ্জ করবেন না। ধীরে ধীরে নিজেকে নতুন রুটিনের সাথে অভ্যস্ত কর।

আশা করি ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলো আপনারা জানতে পেরেছেন। সঠিক জীবন যাপন এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে সুস্থ থাকা যায়। তাই ওজন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ইন্টারনেট থেকে যত তথ্য ডায়েট প্লান কিংবা হারবাল জাতীয় ওষুধ গ্রহণ না করে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

ওজন বৃদ্ধির উপায় কি কি

আপডেট সময় : ১১:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

নিজের শরীরকে ফিট এবং আকর্ষণীয় রাখতে কে না চায়। তাই তাইতো পাতলা লোকেরা ওজন বৃদ্ধির উপায় সম্পর্কে জানতে চান এবং ভারী লোকেরা ওজন কমানোর টিপস সম্পর্কে জানতে চান। ওজন বৃদ্ধি করতে চাইলে শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি সঠিক পন্থায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।

যাদের ওজন কম তারা নিচের ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলো ফলো করে খুব সহজেই ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন।

ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা

আপনি সারা দিনে যে পরিমাণ শক্তি খরচ করছেন খেতে হবে তার চাইতে বেশি পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার। এজন্য নিয়মিত কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, মুরগির মাংস, আলু, কিসমিস ইত্যাদি খাবার খেতে পারেন। এ সকল হাই ক্যালরিযুক্ত খাবার আপনার ওজন দ্রুত বৃদ্ধি করবে। তবে মনে রাখবেন, কোন কিছুই অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। অল্প অল্প করে নিয়মিত খাবেন।

শর্করা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া

অনেকে শর্করা জাতীয় খাবার যেমন ভাত, আলু, আটা ইত্যাদি কম খেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের খাবার ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। তাই দিনে যত খুশি ভাত, আলু কিংবা আটার রুটি খেতে পারেন।

নিয়মিত ব্যায়াম করা

অনেকেই মনে করেন পাতলা শরীর নিয়ে ব্যায়াম করলে ওজন আরো কমে যায়। কিন্তু ধারণাটি সঠিক নয়। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মাংসপেশি গুলো রিলাক্স পায়। ব্যায়ামের পাশাপাশি সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ আপনার ওজনকে বাড়িয়ে দিবে। আবার আজকে একটু ব্যায়াম করে কালকে একদমই করবেন না এরকমটা করা যাবে না। প্রতিদিন রুটিন মেনে ব্যায়াম করতে হবে। ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলোর মধ্যে হয় এটি অন্যতম।

ওজন বৃদ্ধির উপায় কি কি

নিয়মিত খাবার গ্রহণ

আমাদের অনেকের সকাল বেলা না খেয়ে থাকার অভ্যাস আছে। অথবা সকালের খাবার ১২ টায় অথবা দুপুরে। এরকম রুটিনে কখনো ওজন বৃদ্ধি পাবে না। যত সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সম্ভব খাবার খান। সকালবেলা হালকা নাস্তা করার ধারণাটিও ভুল। সকালবেলা যত বেশি খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই ওজন বৃদ্ধির জন্য সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পেট ভরে খাবার খান।

সঠিক সময়ে ঘুমানো

রাত জেগে থাকা ওজন হ্রাসের অন্যতম কারণ। ওজন বৃদ্ধির জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন এবং সকাল সকাল উঠুন। চেষ্টা করুন দিনের বেলাতে না ঘুমানোর জন্য। কারণ দিনের বেলার অনিয়মিত ঘুম স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব একটা ভালো নয়।

প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে হবে। একদিন রাত ৩ টায় ঘুমাতে গেলেন আরেক দিন রাত ১০ টাঢ ঘুমাতে গেলেন এরকমটা মস্তিষ্কে খারাপ প্রভাব ফেলে।

ওজন বাড়ানোর পূর্বে কিছু সর্তকতা

• অনেক সময় বিভিন্ন শারীরিক রোগের কারণে ওজন কম হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েড। আবার মানসিক চিন্তা কিংবা রোগের কারণে ওজন কমে যেতে পারে। আপনার এ ধরনের কোন সমস্যা থাকলে ওজন বাড়ানোর উপায় অবলম্বন করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

• যদি এরকমটা মনে হয় যে আপনি ইচ্ছা করেও খাবার খেতে পারছেন না। খাবারের প্রচুর পরিমাণে অনীহা রয়েছে এবং শারীরিক দুর্বলতা রয়েছে। তাহলে একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

• ওজন বাড়ানোর জন্য কখনোই ইন্টারনেট থেকে যত তথ্য হারবাল মেডিসিন গ্রহণ করবেন না। এসব গ্রহণ করার ফলে নানা রকম পার্শ্ব প্রক্রিয়া রয়েছে।

• খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনলে গ্যাস এবং এসিডিটি সহ কিছু সমস্যা হতে পারে। তাই হঠাৎ করেই খাবারের রুটিন চেঞ্জ করবেন না। ধীরে ধীরে নিজেকে নতুন রুটিনের সাথে অভ্যস্ত কর।

আশা করি ওজন বৃদ্ধির উপায় গুলো আপনারা জানতে পেরেছেন। সঠিক জীবন যাপন এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে সুস্থ থাকা যায়। তাই ওজন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ইন্টারনেট থেকে যত তথ্য ডায়েট প্লান কিংবা হারবাল জাতীয় ওষুধ গ্রহণ না করে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করুন।