ঘুম না আসার কারন কি
- আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
ঘুম না আসার কারন কি জানতে চান? তাহলে ধৈর্য ধরে আমাদের সাথে থাকুন। একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য অন্যতম প্রধান নিয়মক হচ্ছে ঘুম। পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমানো প্রয়োজন। যদিও বয়স বেধে ঘুমের পরিমাণ এর কিছুটা পার্থক্য রয়েছে তবুও ৬ ঘন্টার কম কম স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর।
কিন্তু অনেকেই ঘুমের সমস্যার ভোগেন। ঘুম না আসার কারণ কি সে সম্পর্কে জানতে চান। কিন্তু সঠিক কোন উত্তর খুঁজে পান না।
ঘুম না আসার কারণ কি কি এবং এর সমাধান
১. রাত জেগে কাজ করে আমরা দিনের বেলায় ঘুমানোর চেষ্টা করি। কিন্তু দিনের বেলা আপনি যত সময়ই ঘুমিয়ে কাটান না কেন সেটি রাতের ঘুমের সমান কখনোই হবে না। রাত জেগে থাকা ঘুম না আসার কারণ গুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই প্রতিদিন রাতে একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করুন।
২. প্রতিদিন একেক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া আরেকটি অন্যতম কারণ হচ্ছে ঘুম না আসার। কোনদিন আপনি রাত ১২ টায় ঘুমাতে গেলেন আবার কোনদিন রাত ৯ টায়। এভাবে আমাদের মস্তিষ্কে বিরূপ প্রভাব পড়ে। মস্তিষ্কের এটি নির্ধারণ করে সমস্যা হয় যে আপনার কখন ঘুম প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমান এবং একই সময় উঠুন।
৩. অতিরিক্ত চা কফি পান করা:
চা এবং কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে সেটি আমাদের হরমোনের ভারসাম্য অনেক সময় নষ্ট করে দেয়। তাই খুব বেশি মনে না চাইলে দৈনিক ১ থেকে ২ কাপের বেশি এসব পান করা উচিত নয়। আর ঘুমোতে যাওয়ার আগে তো অবশ্যই নয়।
৪. অতিরিক্ত ফোন এবং ল্যাপটপ কিংবা টিভি দেখাও ঘুম না আসার কারণ গুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই অযথা এসকল ডিভাইস থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
ঘুম না আসার কারন কি
ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষতিকর আলো আমাদের চোখ এবং মস্তিষ্ক উভয়ের ক্ষতি করে। আর ঘুমোতে যাওয়ার কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে থেকে এসব ডিভাইস রাখা বন্ধ করে দিন। সময় না কাটলে বই পড়তে পারেন যদিও। এভাবো আপনার ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। আর হ্যাঁ ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মোবাইল কিংবা ল্যাপটপ বিছানার কাছ থেকে দূরে রাখুন।
৫. সঠিক খাদ্য অভ্যাস ঘুমের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অতিরিক্ত তৈলাক্ত এবং চর্বি জাতীয় খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এজন্য প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি এবং সিজনাল ফলমূল খান। সেই সাথে রাতে কখনোই ভরা পেটে ঘুমাতে যাবেন না।
ভালো ঘুমের জন্য কলা, গরম দুধ, বিভিন্ন রকম শস্য দানা, মধু ইত্যাদি খেতে পারেন।
৬. মানসিক হতাশা এবং দুশ্চিন্তা ঘুম না আসার কারণ গুলোর মধ্যে সবচাইতে বেশি দায়ী। মানুষের জীবনে বিভিন্ন রকম টেনশন এবং ঝামেলা থেকেই থাকে। এসব নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনা আপনার ব্লাড প্রেসারে বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই যেগুলো সমাধান হওয়ার নয় সেগুলো নিয়ে ভাবা বন্ধ করুন। দেখবেন ঘুমের সমস্যা আর সমাধান হয়ে গেছে।
৭. ঘুমের পরিবেশ:
ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজন ভালো ঘুমের পরিবেশ। আপনি যদি আপনার বিছানায় কিংবা রুমে থেকে আরাম অনুভব না করেন তাহলে সেটিতে পরিবর্তন আনুন। বাসা পরিবর্তন করুন না হলে রুমের আসবাবপত্রে কিছুটা পরিবর্তন করুন। শোবার ঘরে যথাসম্ভব কম জিনিসপত্র রাখুন। সেই সাথে রাতে যে কোন ধরনের সাউন্ড এবং অতিরিক্ত আলো থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
আশা করি ঘুম না আসার কারণ গুলো কি কি সেগুলো আপনি জানতে পেরেছেন এবং এর সাথে এটিও বুঝতে পেরেছেন কিভাবে ঘুমের সমস্যার সমাধান করা যায়।
থাইরয়েড কমানোর উপায় জানতে এখানে প্রবেশ করুন।

