সার্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় ১ বছর পেছানোর ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ
- আপডেট সময় : ০১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের লাগাতার আন্দোলনের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন প্রত্যয় স্কিমটি ১ বছর পেছানো হয়েছে। গত ১৪ জুলাই রবিবার এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তি ও প্রকাশ করা হয়েছে।
উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা আইন ২০২৩ এর ১৪ (২) ধারা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ই জুলাই কিংবা তারপরে সরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত কিংবা আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে যে সকল কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী নতুন যোগদান করবেন তাদেরকে বাধ্যতা মূলক ভাবে সার্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় পড়তে হবে। চলতি বছরের বাজেট পেশ করার সময়ও অর্থমন্ত্রী এই বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা সর্বজনীন পেনশন স্কীম এর অন্তর্ভুক্ত হতে চাচ্ছেন না। এই নতুন নিয়ম এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিপরীতে প্রতিবাদ এবং কর্মবিরতি শুরু করে। তারপর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল আন্দোলনকারী শিক্ষকদের একটি দলের সাথে বৈঠক করেন। তারপর সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন এই স্কিমটি আরও ১ বছর পেছানো হবে।
সার্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় ১ বছর পেছানোর ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নতুন এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে এখনো শিক্ষকদের একটি দল আন্দোলন চলে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সার্বজনীন পেনশন স্কিমে কিছুটা সংশোধন করার কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোন কিছু প্রকাশ করেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনের দিন এ জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ তার এই ঘোষণা এবং সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
চলতি বছরের বাজেট ঘোষণার সময় বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে যারা এ ধরনের সরকারি, আধা সরকারি কিংবা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে যোগ দিবেন তারাও সর্বজনীন পেনশন স্কীমের আওতাভুক্ত হবেন। তবে তাদের স্কিমের নিয়ম এবং প্রক্রিয়া কেমন হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করার নেই।
বর্তমানে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ চারটি স্কিম চালু করেছে। যে সকল স্কিমে যে কেউ চাইলে প্রতি মাসে ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় বা টাকা জমা দিতে পারবে। এর বিপরীতে সে ব্যক্তি ৬০ বছর হওয়ার পর যতদিন বাঁচবেন ততদিন পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এমন ঘোষণা আসার পরে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে অনেকেই বাহবা দিয়েছিলেন।







