ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে
- আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
আর্থিক লেনদেনের জন্য একটি ব্যাংক একাউন্ট অপরিহার্য। কিন্তু অনেকেই জানেন না ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে কি কি লাগে। বাংলাদেশের সরকারি, বেসরকারি এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরি ব্যাংকিং সেবা চালু রয়েছে। একাউন্ট এবং ব্যাংকের ধরন অনুযায়ী একেক ব্যাংকে একেক রকম কাগজপত্র এবং তথ্য লাগে।
ব্যাংকে আপনি বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে পারবেন। সেটি সেলারি একাউন্ট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট, ফিক্সড ডিপোজিট একাউন্ট, বিজনেস অ্যাকাউন্টসহ আরো বেশ কয়েকটি একাউন্ট খোলার সুবিধা রয়েছে।
তবে সাধারণভাবে টাকা জমা এবং উত্তোলনের জন্য সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয় সেভিংস একাউন্ট। সেভিংস একাউন্টের মাধ্যমে আপনি যখন খুশি টাকা রাখতে পারবেন এবং যখন খুশি টাকা উঠাতে পারবেন।
বাংলাদেশের সকল ব্যাংকেই আপনি সেভিংস একাউন্ট খুলতে পারবেন। চলুন জেনে নেই সেভিংস ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য কি কি কাগজপত্র এবং তথ্য প্রয়োজন।
ভোটার আইডি কার্ড
যেকোনো ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড প্রয়োজন হবে। ভোটার আইডি কার্ডের সাথে আপনি চাইলে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্সও দিতে পারেন। কোনো কোনো ব্যাংকে আবার জন্ম সনদও চাওয়া হয়ে থাকে।
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে অবশ্যই পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা রঙিন ছবি দিতে হবে। এক্ষেত্রে ছবি অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট হতে হবে।
আয়ের উৎস
বাংলাদেশের অনেক বেসরকারি ব্যাংকের সেভিংস একাউন্ট খোলার জন্য আয়ের উৎস এবং এর কাগজপত্র জমা দিতে হয়। এক্ষেত্রে আপনি চাকরিজীবী হয়ে থাকলে অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার কিংবা পে স্লিপ জমা দিতে পারেন।
আর যদি ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তাহলে ট্রেড লাইসেন্স বা টিন সার্টিফিকেট জমা দিলে হবে।
ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে
আর যদি পুরোপুরি বেকার হয়ে থাকেন তাহলে ব্যাংক ম্যানেজারের সাথে কথা বলে একটি লিখিত দরখাস্ত দিতে হবে।
নমিনির কাগজপত্র
প্রতিটি ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই নমিনির কাগজপত্র দিতে হয়। আপনি মারা যাওয়ার পর কিংবা আপনার অবর্তমানে টাকা গুলো যার হাতে হস্তান্তর করা হবে তাকেই নমিনি বলা হয়। ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় নমিনির পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং ভোটার আইডি কার্ডের কপি দিতে হয়। অনেক ব্যাংকে আবার ভোটার আইডি কার্ডের অরিজিনাল কপিটি দেখতে চাইতে পারে।
ফোন নাম্বার
আপনার ব্যাংক একাউন্টে অবশ্যই একটি ফোন নাম্বার যুক্ত করতে হবে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে চাইলে ফোন নাম্বার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আপনার নামে রেজিস্ট্রেশন করা এবং আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন এমন ফোন নাম্বার দেওয়া উচিত। কারণ এই ফোন নাম্বারে একাউন্টের বিভিন্ন তথ্য, এসএমএস কিংবা ওটিপি আসে।
ইমেইল এড্রেস
আধুনিক ক্যাশলেস সোসাইটি তে সকল লেনদেন মানুষ অ্যাপ এবং অনলাইনে করে থাকে। তাই ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময়ও ইমেইল এড্রেস দিতে হয়। আপনার একান্ত ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস যেটি আপনি সবসময় ব্যবহার করেন সেটি দেওয়া উচিত।
উপরেরটা ডকুমেন্টস গুলো ছাড়া ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য আর তেমন কিছুই প্রয়োজন হয় না। তবে একাউন্টের লেনদেনের উপরে ভিত্তি করে ভবিষ্যতে আরো কোন কাগজপত্র কিংবা তথ্য তারা চাইতে পারে। আশা করি আপনারা এখন জেনে গিয়েছেন ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য কি কি লাগে।

