হার্ট অ্যাটাক হলে করণীয়
- আপডেট সময় : ০২:০২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪ ৬১ বার পড়া হয়েছে
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক করে করণীয় কি সেই সম্পর্কে আমাদের সবারই জানা থাকা উচিত। কারণ হঠাৎ এ ধরনের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হতে পারে। আমরা আশেপাশে প্রায়ই হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর খবরের কথা শুনে থাকি। আমাদের হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়াকে হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। তবে বেশিরভাগ হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীর আমাদেরকে নানা রকম সংকেত দেয়।
যেমন, প্রথমদিকে বুকের মাঝখানে চাপ অনুভব হয়। তারপর কয়েক মিনিট ধরে ব্যথা হতে থাকে। মাঝেমধ্যে ব্যথা চলে যায় আবার ফিরে আসে। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের অস্বস্তির সঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাস ক্ষীন হয়ে আসে। ঘাম দিয়ে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় আবার বমি বমি ভাবও হতে পারে।
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ গুলো বুঝে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি এড়ানো যায়। আমাদের হার্টের যখন অপর্যাপ্ত অনিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালন করে তখনই মূলত হার্ট অ্যাটাক হয়।
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধুমপান, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন এবং মানসিক চাপ সহ নানা কারণে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবে হঠাৎ যদি হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায় তাহলে ভয় পাবেন না।
প্রথমে জোরে জোরে এবং ঘন ঘন শ্বাস নেবেন এবং কাশি দিবেন। চেষ্টা করবেন কাশির সাথে যেন কফ বের হয়ে আসে। এভাবে ২ মিনিট পর পর ঘন ঘন কাশি এবং দীর্ঘশ্বাস নিন।
হার্ট অ্যাটাক হলে করণীয়
এতে করে আপনার হৃদপিন্ড কিছুটা হলেও রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়া শুরু হবে। হাসপাতালে নেওয়ার আগে এই প্রক্রিয়াটি রোগীকে অনেকক্ষণ সাপোর্ট দেবে। কারণ দীর্ঘ এবং শ্বাস নেওয়ার ফলে আমাদের শরীরে অক্সিজেন পরিবহন বৃদ্ধি পায় এবং বুকের যে চাপ সৃষ্টি হয় সেটি কমে যায়। তাই হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে উপরের পদ্ধতি গুলো অবশ্যই মেনে চলবেন। তারপর যত দ্রুত সম্ভব প্রফিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবেন।
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে আমরা অনেক সময় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ি। অর্থাৎ কি করব এমন কিভাবে করব সে বিষয়ে আমাদের খুব একটা হুশ থাকে না।
কিন্তু এ সময় মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ অথবা ব্যাথানাশক ঔষধ দিতে হবে। তারপর যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
আবার অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের কারণে রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা জ্ঞান হারিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ২ হাত দিয়ে আক্রান্ত রোগীকে সিপিআর দিতে হবে। ইন্টারনেটে সিপিআর দেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক ভিডিও পেয়ে যাবেন। সিপিআর দেওয়ার পদ্ধতি গুলো নিজে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কে শিখিয়ে রাখা উচিত।
কারণ কারণ এই সামান্য উদ্যোগে কারো জীবন রক্ষা করতে পারে। হার্ট অ্যাটাক হলে সিপিআর অনেক সময় সবচাইতে প্রয়োজনীয় কাজ হয়ে পড়ে।

